মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, রংপুর অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের ওয়াদা ভঙ্গ করেছে সরকার। আমরা জাতির সাথে বেঈমানী করতে পারবো না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে ঘরে ফিরবো না ইনশায়াল্লাহ।

তিনি গতকাল শনিবার শেষ আষাঢ়ের বর্ষণমুখর বিকেলে রংপুর জিলাস্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কার্যকর ব্যাবস্থা গ্রহণ, সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধ করা এবং জনগণের দুর্ভোগ নিরসনের ৪ দফা দাবিতে আয়োজিত রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।

মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অবঃ) ডক্টর অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাক্তার মোস্তাফিজার রহমান ইরান, রংপুর-৪ কাউনিয়া-পীরগাছা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এবং এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ পার্টি এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলের অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপারসহ সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য ও রংপুর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর মহানগর আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম আজম খান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য রংপুর জেলা আমীর ও রংপুর-৫ মিঠাপুকুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, গাইবান্ধা জেলা আমীর ও গাইবান্ধা-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল করিম সরকার, রংপুর মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও রংপুর-১ গঙ্গাচড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা রায়হান সিরাজী, কুড়িগ্রাম-২ সদর-রাজারহাট-ফুলবাড়ী আসনের সংসদ সদস্য এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ডক্টর আতিকুর রহমান মোজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ উলিপুর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ওয়াসিমসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয় ও রংপুর বিভাগীয় এবং জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। জনগণের জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্য দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে মহাসমাবেশ করছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল রংপুরে ৪ দফা দাবিতে স্থানীয় জিলা স্কুল মাঠে বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমান মুষলধারে বৃষ্টির মাঝে লাখো মানুষের নিশ্চল অবস্থানে অভিভুত হয়ে বলেন, বর্ষণ আর বুলেট যেমন আপনাদের বিচলিত বা দুর্বল করতে পারেনি, তেমনি জুলাই বিপ্লবের ফসল ঘরে না তোলা পর্যন্ত ইস্পাত কঠিন দৃঢ় থেকে আমরা কেউ ঘরে ফিরবো না ইনশায়াল্লাহ। তিনি বলেন , আমরা জাতির সামনে ওয়াদা করেছি, তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কোদাল মেড়ে উন্নয়নের যাত্রা শুরু করতে চাই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশের ওয়াদা করেছিল, রক্ষা করে নি। ডাক্তার শফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদেরে প্রতিবেশী সীমান্তে সুর সুরি দিচ্ছে পুশইন আর সীমান্ত হত্যা চালিয়ে। বিজিবি এবং জনগণ সাহসের সাথে সেসব মোকাবেলা করছে। বিএনপি সরকার এসব মুখবুঁজে হজম করছে। কোন প্রতিবাদ করছে না। আমরা এদেশের কোটি জনতা বুকপেতে দেব, তবু এক ইঞ্চি মাটি কাউকে ভোগ করতে দেব না। দেশের সকল নারীপুরুষ সৈনিক। তারা বুক পেতে দিয়ে দেশ রক্ষা করবে। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আমরা কোন ধানাই পানাই দেখতে চাই না। এর সফল বাস্তবায়নের রুপ দেখতে চাই। কৃষি প্রধান রংপুরকে কৃষির রাজধানী হিসেবে দেখতে চাই। ফসলের ন্যয্য মূল্য চাই। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, আর র্দুনীতিবাজদের জনগণ দেখতে চায় না। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই বিপ্লবসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে। এজন্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিযে যাবো। কোন আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত নয়, বুক উঁচিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো। জুলাই বিপ্লবের বীর রংপুরের শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের রক্ত বৃথা যাবে না। অমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালিয়ে যাবো। সভাপতির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, দেশ গড়তে ২৪শের জুলাইয়ে দেশের তরুণ ছাত্রজনতা বুলেট হামলার কাছে বুক পেতে দিয়ে বিপ্লব সাধন করেছে বৈষম্য মুক্ত দেশ গড়তে। দুঃখজনক হচ্ছে শহীদ আবু সাঈদের রংপুরে এবারের বাজেটে কোন উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার সব ক্ষেত্রে নিজেদের লোকদের প্রশাসক আর চেযারম্যান বসিয়ে দলীয় করণের নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিরোধী দলীয় এমপিদের সরকারী দলের তুলনায় এক তৃতীয়াংশ বরাদ্দ দিয়ে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ফলাফল শূন্য রয়েছে। দেশে জাতীয় ঐক্য না থাকলে বিপ্লব সফল হবে না। সরকার গণরায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে গাদ্দারী করছে। জনকল্যাণের ওয়াদা করে জনগণকে বিদ্যুৎ না দিয়ে হাতে হারিকেন দিয়েছে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অবঃ) ডক্টর অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, ভারত আমাদের দরদ দেখিয়ে মায়া কান্না করে, আর সীমান্তে হত্যা আর পুশইন করে আমাদের অস্থির করে রাখছে। তিস্তা, পদ্মাসহ সকল অভিন্ন নদীর পানি আটকিয়ে বর্ষায় অতি বন্যা এবং শুকনো মওসুমে এদেশকে শুকিয়ে মারছে। তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, ভারতীয় নেতারা উস্কানি দিচ্ছে রংপুর আর চট্রগ্রাম কিনে নিবে, দখল করবে। আগেরদিন নাই, ভুলে যান, দাসী আপনাদের কাছে পালিয়ে গেছে। আপনারা আক্রমণ করলে এদেশের জনগণ বসে থাকবে না। তারাও কোলকাতা দখল করে নেবে। সেভেন সিস্টার কাশ্মীর স্বাধীন হয়ে যাবে। দাদাগিরী করবেন না। সরকারকে হুঁশিয়ারী করে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, চারিদিকে শত্রু রেখে চলবেন না। বেশীদূর যেতে পারবেন না। জনগণ আবারও বিপ্লব করবে। তিনি বলেন, বর্ততমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে আগামীর স্থানীয় সরকার সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই আমরাও ঐ নির্বাচনে অংশ নেব না। দেশে সুশাসন চাইলে বিরোধী দলের সাথে সমঝোতা করে মানবতার দেশ গড়ুন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর ক্ষমতায় এসে সরকার জনগণের সাথে গাদ্দারী করছে। এদেশের মানুষ মুক্তির জন্য যুগে যুগে রক্ত দিয়েছে , প্রয়োজনে আর একটা বিপ্লবের জন্য রক্ত দেবে।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী বলেন, আমরা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস এবং জুলুমমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই।

বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাক্তার মোস্তাফিজার রহমান ইরান বলেন, আমরা সংবিধানে ণণভোট সংযুক্ত দেখতে চাই। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা করছেন, বিএনপি ধ্বংসের জন্য এক সালাহউদ্দিনই যথেষ্ট। রংপুরসহ বাংলাদেশ নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করলে এর সমুচিত জবাব দেবে জনগন।

সংসদ সদস্য এবং এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, রংপুরের আবু সাঈদসহ প্রায় দেড় হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের ওয়াদা থেকে সরকার পাস কাটিয়ে ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে রংপুরে এসে হাঁঁ ভোটের পক্ষ্যে সমর্থন চেয়েছে। নির্বাচিত হয়ে তিনি ওয়াদা ভঙ্গ করেছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অধ্যাদেশ থেকে তৈরী সুপ্রীম কোর্ট পৃথকীকরণ অঙ্গিকার থেকে তারা সরে এসেছে। জুলাই যোদ্ধাসহ জনগণ এটা মানবে না। আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, লক্ষণ সেনের পর হাসিনা এই বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কোন ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসককে জনগণ কখনও ক্ষমা করবে না। আমরা ১১ দলীয় ঐক্য ডাক্তার শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জনগণের অধিকার আদায়ে অন্দোলন চালিয়ে যাবো। জুলাই বিপ্লব জনতার চোখ খুলে দিয়েছ। সীমান্ত ষড়যন্ত্র করে এদেশকে কেউ পরাধীন করতে পারবেনা।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের ওয়াদা ভঙ্গ করেছে সরকার। অবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত কার্যকর, সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা ও পুশ ইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবি জানান তিনি।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সহ সভাপতি ও মুখপত্র রাশেদ প্রধান বলেন, রংপুর বিভাগ নিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশবাসী সজাগ থাকুন। গণভোটের গণরায়সহ ৪ দফা দাবি আদায়ে ১১ দল সংসদ রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। জুলাই সনদে একই সাথে রাষ্ট্র গঠন এবং সরকার গঠনে সকল দল ঐক্যমত হয়েছিল। সরকার গঠনের পর তারা একটিকে বৈধ আর একটিকে অবৈধ চিহ্নীত করে জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানা করছেন। বৈষম্যহীন, জবাবদিহি মুলক ও মানবিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৪ কোটি মানুষের গনরায় অনুযায়ী দেশ পরিচালানা করতে হবে।

বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার অল্প সময়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গুলোতে জনগনের অংশগ্রহনে নির্বাচন না দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত তাদের দলীয় প্রার্থীদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান দলীয় করন করেছে।

জামায়াতে ইসলামর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, রংপুর সহ দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনজীবিকার অন্যতম প্রধান মাধ্যম কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং এই অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা জরুরী, এজন্য ওয়াদা নয়, বাস্তব রূপ দেখতে চাই।

রংপুর জেলা আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, রক্তে ঝড়া জুলাই বিপ্লবের সাথে সরকার বেঈমানী করে জনরায়কে অসম্মান করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দেশের জনগনের দেয়া কাংখিত গনভোটের রায় অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে যে ২৪ শের বিপ্লব সাধিত হয়েছে। জুলাই সনদের বাস্তবায়নের সেই বিপ্লবের পুর্নতা দিতে হবে।

মহসমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ ও মাওলানা আব্দুল হাকিম, রংপুর-৬ পীরগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আমীন, গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-৩ সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু, গাইবান্ধা-৫ সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আব্দুল ওয়ারেছ, নীলফামারী জেলা আমীর ও নীলফামারী-১ ডোমার-ডিমলা আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-৩ জলঢাকা আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি, নীলফামারী-৪ সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুন্তাকিম, কুড়িগ্রাম-১ ভুরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোস্তাফিজার রহমান, জামায়াতে ইসলামর পঞ্চগড় জেলা আমীর মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, ঠাকুরগাঁও জেলা আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান, দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আনিছুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা আমীর অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান সরকার এবং লালমনিরহাট জেলা আমীর এডভোকেট আব্দুল বাতেন, ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জনিয়ারস এর কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার শাহ্, সহ এসময় ১১ দরীয় জোটের রংপুর বিভাগীয়, জেলা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে মহাসমাবেশে অনুষ্ঠানের সুচনা করেন জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহজাহান সিরাজ। এছাড়া পায়রা সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীরা মনোজ্ঞ ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন।