পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল, আক্রমণ আর সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল তুরস্কের। কিন্তু অসংখ্য সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। বিপরীতে, সীমিত সুযোগকে পুঁজি করে দারুণ কার্যকারিতা দেখিয়ে ২-০ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তুরস্ককে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে সকারুসরা। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক নেস্টোরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাল্ফ, দুজনই একটি করে গোল করেন।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় তুরস্ক। বলের দখল ধরে রেখে ধারাবাহিক আক্রমণে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। পরিসংখ্যানও তুর্কিদের শ্রেষ্ঠত্বের কথাই বলে। ম্যাচে প্রায় ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি তারা ৩০টি শট নেয় প্রতিপক্ষের গোলমুখে।
তবে সুযোগ সৃষ্টি করলেও গোলের দেখা পায়নি তুরস্ক। অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখিয়ে একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করেন।
ম্যাচের ২৭তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন নেস্টোরি ইরানকুন্ডা। গোল হজমের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তুরস্ক, কিন্তু বারবার ব্যর্থ হয় গোল করতে।
বিরতির পরও একই চিত্র দেখা যায়। বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোলের খাতা খুলতে পারেনি তুর্কিরা। বরং ৭৫তম মিনিটে রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাল্ফ। মাঝমাঠের কাছাকাছি থেকে নেওয়া তাঁর দূরপাল্লার শট জড়িয়ে যায় জালে।
দুই গোলের সুবিধা পাওয়ার পর বাকি সময় রক্ষণ সামলে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে তারা।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘ডি’-তে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে বেড়েছে দলের আত্মবিশ্বাসও। পরবর্তী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তুরস্ককে।