ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নাটকীয় ও জোরালো আত্মপ্রকাশের পর তরুণ নেতা অভিজিৎ দীপকের জীবনে এখন এক নতুন ভোরের সূচনা। নিট প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন এবং সরকার আন্দোলনকারীদের বাকি দাবিগুলোও মেনে নিয়েছে। ফলে টানা লড়াইয়ের পর এখন কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ মিলেছে দেশব্যাপী গড়ে ওঠা এই আন্দোলনের ৩০ বছর বয়সি মূল কাণ্ডারীর। বিশ্রামের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘অবশেষে আমি আমার ঘরে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পেরেছি। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আমাকে আর ভাবতে হয়নি যে সারাদিন কী করব বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটতে যাচ্ছে।’ দীপকেকে বেশ চাপমুক্ত দেখাচ্ছিল। গতকাল রোববার সকালে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি ৩৭ দিনের এই দীর্ঘ প্রতিবাদ কর্মসূচির অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। পুরো আন্দোলনকে তিনি বর্ণনা করেন ‘অত্যন্ত কঠিন ও জটিল’ হিসেবে। দি সিয়াসাত ডেইলি, এনডিটিভি, দ্য হিন্দু, নিউইয়র্ক টাইমস, তাসনিম নিউজ এজেন্সি
তবে অনুসারীদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির পথচলা এখনো অনেক বাকি।’ গত মে মাসে দেশের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের জেরে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই সিজেপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দীপকে। কিন্তু দেখতে দেখতেই এটি রূপ নেয় এক বিশাল গণআন্দোলনে, যা পরবর্তী প্রায় ৭০ দিন ধরে ভারতের ‘জেন-জি’ বা তরুণ প্রজন্মকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার তরুণ সমর্থক—যারা নিজেদের ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন—রাজধানীর কেন্দ্রস্থল দখল করে নেন। দিল্লির ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে প্রতিধ্বনি হতে থাকে ‘ইনকিলাব’ স্লোগান, যা কাঁপিয়ে দেয় দেশের রাজনীতি ও ক্ষমতার মূল কেন্দ্রকে। প্রতিবাদী শিক্ষার্থী ও তরুণরা নিট প্রশ্নফাঁস এবং পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় সরাসরি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করেন এবং তার পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকেন। সরকারের বিলম্বের কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
অবশেষে গত শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে সিজেপি তাদের আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়। তবে এই জয় সহজ ছিল না বলে জানান দীপকে। অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করা সত্ত্বেও যারা সিজেপি-র পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। নিজে টাইফয়েডে আক্রান্ত ও জ্বরে ভুগতে থাকায় যন্তর মন্তরে গিয়ে সরাসরি সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘যেসব মানুষ দীর্ঘ ৩৭ দিন ধরে যন্তর মন্তরে অপেক্ষা করেছেন ও লড়েছেন, আমি আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনারা দেশের জন্য যা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’ একই সঙ্গে সমালোচকদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। কারণ তাদের গঠনমূলক ও ন্যায্য প্রশ্নই আন্দোলনকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে এবং সফল হতে সাহায্য করেছে বলে জানান অভিজিৎ দীপকে।
শিক্ষার্থীদের ওপর ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের নির্দেশ কে দিল?
দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের ‘বর্বর হামলার’ কড়া সমালোচনা করে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একটি চিঠি দিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি এই হামলার জবাবদিহি চাওয়ার পাশাপাশি তরুণদের ওপর পেলেট গানসহ অন্যান্য ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে দিয়েছিলেন কিনা, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। অমিত শাহকে দেওয়া ওই চিঠিতে কংগ্রেসের সাবেক এই সভাপতি বলেন, যেকোনো গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্দোলনকারীদের রক্ষা করা এবং আলোচনার মাধ্যমে তাদের অভাব-অভিযোগের সমাধান করা সরকারের দায়িত্ব। ২৫ জুলাই লেখা ওই চিঠিতে রাহুল গান্ধী বলেন, ২০২৬ সালের ২০ জুলাই দিল্লিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বর হামলা হয়েছে, আমি তার জবাবদিহি চাইতে এই চিঠি লিখছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা একটি সুষ্ঠু ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছিল। কিন্তু তাদের কথা শোনার বদলে নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী অস্ত্র ও কাঁদানে গ্যাসসহ নির্বিচারে বলপ্রয়োগ করে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, শত শত শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। নারী শিক্ষার্থীরা পুলিশি হামলার শিকার হয়েছেন, এমনকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের গোপনাঙ্গ নিশানা করেও হামলা চালানো হয়েছে। রাহুল গান্ধী বলেন, সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো শিক্ষার্থীদের ওপর প্রাণঘাতী পেলেট গানের ব্যবহার। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের খবরে পরিষ্কারভাবে দেখা গেছে, সাংবাদিকসহ অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। আমি ১৯ বছর বয়সি শিক্ষার্থী সাহিল লোচাবের সঙ্গে দেখা করেছি। পেলেট গানের গুলীতে সে এখন নিদারুণ যন্ত্রণায় ভুগছে এবং তার একটি চোখ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে রাহুল বলেন, দিল্লিতে মোতায়েন করা নিরাপত্তা বাহিনী চূড়ান্তভাবে আপনার কাছেই জবাবদিহি করে। তাই আমি জিজ্ঞেস করছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আপনি কি শিক্ষার্থীদের ওপর পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিলেন? যদি আপনি না দিয়ে থাকেন, তবে কে দিয়েছে?” লাঠি হাতে শিক্ষার্থীদের পেটাতে দেখা যাওয়া সাদাপোশাকের ব্যক্তিরা পুলিশ সদস্য নাকি স্বেচ্ছাসেবক, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাদের মোতায়েনের নির্দেশ কে দিয়েছে, চিঠিতে রাহুল গান্ধী তা–ও জানতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের নির্মম সহিংসতা সব ধরনের রীতিনীতি ধ্বংস করে দেয় এবং পুরো দেশকে ক্ষুব্ধ করেছে। তরুণ ও শিক্ষার্থীরা, যারা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ, তারা আজ উত্তর এবং জবাবদিহি চাইছে। তাদের কণ্ঠস্বর শুনতেই হবে।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহির দাবিতে দেশব্যাপী এই যুব আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সাবেক আপ নেতা অভিজিৎ ডিপকে মে মাসে একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্রচারাভিযান হিসেবে প্ল্যাটফর্মটি চালু করলেও পরে তা বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে এই আন্দোলন শুরু হয়। তবে ২৮ জুন প্রখ্যাত অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক এতে যোগ দিয়ে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) ৬ কর্মীর সঙ্গে আমরণ অনশনে বসলে এটি জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক গতি পায়। সরকা ভাররের আশ্বাসে বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙেন ওয়াংচুক। গত ২০ জুলাই জে পি নাড্ডার বাসভবনে সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়। কিন্তু একই দিনে পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রারত শিক্ষার্থীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায় পুলিশ। এই ঘটনাই আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন আরও বাড়িয়ে দেয়।
রাজনীতিতে যোগ দেবেন ককরোচ পার্টির নেতারা
ভবিষ্যতে সরাসরি বা পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দেবেন কিনাÑএমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের ব্যঙ্গাত্বক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক শীর্ষ নেতা মুচকি হেসে বলেছেন, ‘ভারতে কোনো কিছুকেই ‘না’ বলতে নেই।’ নিট প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে সিজেপির মাসব্যাপী আন্দোলনের সফল সমাপ্তি ঘটেছে। তবে দলটি জানিয়েছে, এখনই তাদের পূর্ণকালীন রাজনীতিতে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই; বরং তরুণদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করাই এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার। কেন্দ্রীয় সরকার আন্দোলনকারীদের মূল দাবিগুলো মেনে নেওয়ার পর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এটি পরবর্তীতে রাজনৈতিক দলে রূপ নেবে কিনা, তা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।
আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘আমার মাথায় এখন একটাই চিন্তাÑবাড়ি ফিরে শান্তিতে ঘুমানো, একটু বিশ্রাম নেওয়া আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। গত কয়েক মাস ধরে আমি বাড়ি থেকে দূরে। গত দুই মাসে যা যা ঘটেছে, তা নিয়ে এখন একটু ভাবা দরকার। ঘটনাগুলো আমাদের সবার জন্যই বেশ আবেগঘন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের, আনন্দের এবং স্বস্তির একটি মুহূর্ত। এর পর কী হবে, তা সামনেই দেখা যাবে।’ সরাসরি রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ভারতে কোনো বিষয়কেই ‘না’ বলতে নেই।’
তবে দলের আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট জানান, রাজনীতি তাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য নয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একদম পরিষ্কার। এই আন্দোলনকে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কারণ দেশে ইতোমধ্যে ৭৫০ থেকে ৮০০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে, যার একটিও তরুণদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। আমরা আন্দোলনকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই, যাতে ক্ষমতায় যে রাজনৈতিক দল বা নেতাই থাকুক না কেন, তারা তরুণদের স্বার্থে কাজ করতে বাধ্য হয়।’ কয়েক সপ্তাহের টানা প্রতিবাদের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দিনই সিজেপি নেতাদের এই বক্তব্য সামনে এলো। পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান উল্লেখ করেন, গত ১০ দিনের ঘটনাবলী তাকে গভীরভাবে ‘ব্যথিত’ করেছে এবং এটি তার ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়’। তিনি আরও দাবি করেন, কোনো ‘দেশবিরোধী শক্তি’ যেন এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য যেন বজায় থাকে, সেই কারণেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় না পড়ে, সে বিষয়েও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী
দেশজুড়ে তীব্র ছাত্র আন্দোলন এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রহ্লাদ জোশীকে দেশের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শক্রমে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের (২) উপধারা অনুযায়ী অবিলম্বে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে তার বর্তমান দপ্তরের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে ধর্মেন্দ্র প্রধান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভের মুখে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। প্রহ্লাদ জোশী বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবন্টন এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমান পোর্টফোলিওর পাশাপাশি এখন থেকে তিনি দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও সামলাবেন।